চিলির বিভিন্ন স্থানে শতাধিক দাবানলে মারা গেছেন ২৩ জন। দাবানলের ঘটনায় আহত হন ৯৭৯ জন। দাবানল থেকে রক্ষায় নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ১ হাজার ১০০ জনকে। খবরটি জানায় রয়টার্স।
স্থানীয় সময় শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া দাবানল নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে বিভিন্ন এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিনা তোহা বলেছেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে, অবস্থা আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে। তবে আগুন ছড়িয়ে যাওয়া বন্ধ করে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
চিলির জাতীয় বনবিভাগ সংস্থা কোনাফ জানিয়েছে, ২৩১টি দাবানলের মধ্যে অন্তত ৮১টি জ্বলছে। বাকিগুলো মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
তবে শনিবার আরো অন্তত ১৬টি স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছেছে। দাবানলে অন্তত ৪৪ হাজার হেক্টর বনভূমি পুড়ে গেছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, ভয়াবহ তাপপ্রবাহের ফলেই পরিস্থিতি এত কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে
দেশটির জাতীয় বনায়ন সংস্থা জানায়, শুক্রবার দাবানলের আগুনে ৪০ হাজার হেক্টর (৯৯ একর) বনাঞ্চল পুড়ে গেছে। দগ্ধ এ এলাকা আয়তনে যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া শহরের চেয়েও বড়। শনিবার মোট ২৩১টি দাবানলের মধ্যে ৮০টির সঙ্গে সক্রিয় লড়াই করা হচ্ছে। এর আগে ১৫১টি দাবানল নিয়ন্ত্রণে আসে।
এদিকে দাবানল নিয়ন্ত্রণে চিলিকে প্লেন ও অগ্নিনির্বাপকর্মী দিয়ে সাহায্য করার কথা বলেছে স্পেন, যুক্তরাষ্ট্র, আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর, ব্রাজিল, ভেনিজুয়েলা।
সর্বশেষ চিলির লা আরাউকানিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে সরকার। তার আগে চিলির প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল রেখার মাঝখানে অবস্থিত বায়োবিও ও নুবলে অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
মাহফুজা ৫-২



