তুরস্কে ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম ও সাহায্যের জন্য ৪৬ সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। দলটিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে ২৪ জনের একটি মধ্যম উদ্ধারকারী দল, ১০ জনের মেডিকেল টিম এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১২ জন সদস্য থাকবেন।
বুধবার সন্ধ্যায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান এই তথ্য জানান।
আইএসপিআর জানায়, উদ্ধারকারী দলের নেতৃত্ব দেবেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুহুল আমিন। উদ্ধারকারী দলটি ভূমিকম্প পরবর্তী জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসাসামগ্রী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি সি-১৩০জে পরিবহন বিমান তুরস্কে পাঠানোর জন্য ঢাকা-আঙ্কারা-ঢাকা রুটে একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
বিমানটি বাংলাদেশ থেকে রাতে তুরস্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার কথা। তুরস্কে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছানোর পর বিমানটি পুনরায় ১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের উদ্দেশ্যেফিরে আসবে।
ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিনবলেন তুরস্কে সংঘটিত ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে তুরস্ক সরকার কর্তৃক আন্তর্জাতিক সাহায্য চাওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে তুরস্কে একটি সম্মিলিত সাহায্যকারী দল পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। সম্মিলিত উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসকে অন্তর্ভুক্ত করায় আমরা সম্মানিত বোধ করছি।
উদ্ধারকারী দলটি ভূমিকম্প পরবর্তী সাহায্যের জন্য তুরস্ক জনগণের মাঝে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম এবং মেডিকেল সহায়তা দেবে।
সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্ক-সিরিয়ায় আঘাত হানে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প। তুরস্ক-সিরিয়ায় চলতি শতাব্দীর ভয়াবহতম এ ভূমিকম্পে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে।
ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট খাদ্য ও পানি সংকট, বাসস্থান সংকট ও জরুরি চিকিৎসা সেবার অভাবে সেখানে সার্বিকভাবে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
মাহফুজা ৮-২



