১৬ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
৮ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

    সর্বশেষ খবর

    বেসামরিক প্রশাসন সেনাবাহিনীর সঙ্গে আগের চেয়ে অনেক বন্ধুত্বপূর্ণ এবং কাজ করতে অনেক স্বাচ্ছন্য বোধ করে-এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের অনেক দায়িত্ব পালন করে, যেগুলো বেসামরিক প্রশাসনের আওতায়। বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় যেসব কর্মকাণ্ড করা হয়, সেগুলো কিন্তু বেসমারিক প্রশাসনের পূর্ণ সহযোগিতা ছাড়া করা অসম্ভব বলে জানালেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

    বৃহস্পতিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের শেষ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সঙ্গে এই কার্য-অধিবেশন হয়।

    জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রশাসনে মাঠপর্যায়ে যারা সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন, তারা হলেন ডিসি। সেনাবাহিনী চাচ্ছে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে সরকারের দেওয়া যেকোনো দায়িত্ব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা। বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় সেনাবাহিনী দুর্যোগ মোকাবিলা ও জাতি গঠন–সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড এবং অনেক নিরাপত্তামূলক দায়িত্বও পালন করে থাকে। এখানে কথা প্রসঙ্গে গত বন্যায় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা সবাই করেছে। অন্যান্য কাজেও আমাদের প্রশংসাগুলো তারা বলেছে।

    সেনাপ্রধান আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন, ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে আমরা ডিজ্যাস্টার ম্যানেজমেন্ট, নেশন বিল্ডিং একটিভিটিজ, অনেক সিকিউরিটি ডিউটিও পালন করে থাকি। এখানে কথা প্রসঙ্গে গত বন্যার সময় সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা সবাই করেছেন। অন্য কাজেও আমাদের প্রশংসার কথা সবাই বলেছেন। আমরাও বলেছি, বর্তমান সেনাবাহিনীর নিচের পর্যায়ের সবার মধ্যে একটি অনুভূতি এসেছে যে, সিভিল প্রশাসন আগের চেয়ে আমাদের সঙ্গে অনেক ফ্রেন্ডলি।’ বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে আগের চেয়ে অনেক ভালো, স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছি। এই যে আমাদের একটা কালচারাল ডিফারেন্স, সেনাবাহিনী তাদের মতো করে কাজ করছে, বেসামরিক প্রশাসন তাদের মতো করে কাজ করছে। উদ্দেশ্য একই, কিন্তু কর্মপদ্ধতির ভিন্নতার কারণে কিছু কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়তো হয়ে থাকে।

    সেনাবাহিনীর সঙ্গে ফ্রেন্ডলি কোনো কাজ হয় না, এমন কিছু ডিসিরা বলছেন কিনা – জানতে চাইলে তিনি জানান, কয়েকজন ডিসি ও ডিভিশনাল কমিশনার স্পষ্ট করে কয়েকটি উদহারণ দিয়ে বলেছেন যে, সেনাবাহিনী কত ভালো কাজ করছে এবং তারা (ডিসিরা) কত খুশি! আমি বললাম, আপনাদের এ কথাগুলো আমি সেনাবাহিনীর সর্বস্তরে পৌঁছে দেব। এতে তাদের মনোবল বাড়াবে। ভবিষ্যতে ভালো কাজের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’

    ‘সেই আঙ্গিকে আমি তাদের এটিও বলেছি, তাদের অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্য যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও মনে করে বর্তমান প্রশাসনে যারা আছেন, তারাও অনেক কো-অপারেটিভ এবং তারা আমাদের সঙ্গে সুন্দরভাবে কাজ করছে। আমাদের তরফ থেকে এই বার্তা বর্তমান বেসামরিক প্রশাসনের কাছে আছে। এটি তাদের মনোবল যোগাবে এবং একসঙ্গে কাজ করতে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে,’ বলেন সেনাপ্রধান।

    ‘যত আমরা এগুলো দূর করতে পারবো, নিজের কাজের স্বকীয়তা বজায় রেখে, আমার মনে হয় উই উইল বি এইবল টু পারফর্ম হোয়াট ইজ এক্সপেক্টেড ফ্রম আস বাই দ্য গভর্নমেন্ট অ্যান্ড দ্য পিপল অব দ্য কান্ট্রি।’

    ‘আমি তাদের এই সিগন্যালটা ক্লিয়ারভাবে দিয়ে গেলাম, আমি ব্যক্তিগতভাবে এসেছি, সেনাবাহিনী চাচ্ছে, সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করে সরকারের প্রদত্ত যেকোনো দায়িত্ব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে’, বলেন সেনাপ্রধান।

    মাহফুজা ২৬-১

     

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

    Latest Posts

    spot_imgspot_img

    আলোচিত খবর