১৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে সাতটি আসনে ভোটের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি আরো বলেন বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগ করার কারণে শূন্য হওয়া আসনগুলোতে নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশন ৯০ দিন অপেক্ষা করবে না ।
বিএনপিসংসদে থাকা তাদের সাতটি আসন ছেড়ে দিয়েছে। এর মধ্যে ছয়টিতে সরাসরি ভোট হবে, আর একটি আসন সংরক্ষিত। ইতোমধ্যে আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করেছেন স্পিকার। এবার সেসব আসনে উপ-নির্বাচনের তোড়জোর শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান তিনি।
ইসি আলমগীর বলেন, বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগ করা আসন শূন্য ঘোষণার গেজেট নির্বাচন কমিশন সচিবালয় পেয়েছে । বৈঠকে বসে আমরা সিদ্ধান্ত নেব কবে নির্বাচন হবে। এরপর শিডিউল ঘোষণা করা হবে।
আসন শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার নিয়ম- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তফসিল আমরা খুব শিগগিরই দেব, ইনশা আল্লাহ। যেহেতু ৯০ দিনের মধ্যেই নির্বাচন করতে হবে। সিইসি এবং আরেকজন নির্বাচন কমিশনার আজ ঢাকার বাইরে আছেন। আগামীকালও থাকবেন। পরশু হয়ত আসবেন। বৃহস্পতিবার অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে আমরা বসতে পারি। মিনিমাম সময় যেটা দিতে হয়, সেটি দিয়ে আমরা হয়ত তফসিল দিয়ে দেব। আমরা ৯০ দিন অপেক্ষা করব না।
তিনি বলেন, সব নির্বাচনই ৯০ দিনের মধ্যে করতে হয়। কিন্তু মিনিমাম একটা সময় দিতে হয়। কারণ নমিনেশন জমা দেওয়ার সময় আছে, বাছাইয়ের সময় থাকে, প্রত্যাহারের সময় থাকে, প্রচারণার সময় থাকে। এজন্য ৪০ থেকে ৪৫ দিন সময় দিতে হয়। এই সময়টা দিয়ে তারিখ ঘোষণা করা হবে। কমিশনার বলেন, আমাদের হলো রেফারির কাজ। আমরা মাঠ, গ্যালারি প্রস্তুত রাখব। সবকিছু প্রস্তুত রাখব, প্লেয়াররা খেলতে আসবেন। মাঠে আসার আগ পর্যন্ত দায়িত্ব কিন্তু যারা এটির আয়োজন করে তাদের। সরকার এবং রাজনীতিবিদদের। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের কোনও ভূমিকা নেই। আমরা মাঠ তৈরি করবো। গ্যালারি তৈরি করবো।
৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে। সবগুলো দলই যে নির্বাচন করবে, সেটি তো আর বলা যায় না । তিনি বলেন, আমরা দেখব যে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল বা সক্রিয় রাজনৈতিক দল যারা আছে; তারা এলেই বলব যে, একটু সুন্দর নির্বাচন হয়েছে।
মাহফুজা ১২-১২



