পল্টন থানায় করা মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসসহ চারজনের জামিন আবেদনের শুনানির জন্য সোমবার দিন ধার্য করেছেন আদালত।
অপর দুইজন হলেন- ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ।
রোববার তাদের আইনজীবী ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) রেজাউল করিমের আদালতে এ আবেদন করেন। আদালত শুনানির জন্য ১২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।
মির্জা ফখরুলের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এদিন আদালতে তাকে সহযোগিতা করেন জাকির হোসেন, শেখ শাকিল আহম্মেদ । মহিউদ্দিন চৌধুরি মির্জা আব্বাসসহ অপর আসামিদের জামিনের আবেদন করেন ।
৯ ডিসেম্বর তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মোহাম্মদ জসিম ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের আদেশ দেন কারাগারে পাঠানোর ।
তারও আগে ওইদিন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গ্রেফতার দেখায় ডিবি।
নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ৭ ডিসেম্বর বিকেলে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে নিহত হন একজন এবং আহত হন অনেকে। পুলিশ এসময় বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরকদ্রব্য, চাল-ডাল, পানি, ও নগদ টাকা পাওয়া যায় বলে জানায় ।
পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেন সংঘর্ষের ঘটনায় ৪৭৩ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত দেড় থেকে দুই হাজার বিএনপি নেতাকর্মীকে আসামি করে পল্টন মডেল থানায় ।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপি চেয়ারপাসনের বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল কাদের ভূঁইয়া।
মাহফুজা ১১-১২



