বিএনপির সদস্যরা পদত্যাগ করায় ছয়টি আসন শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়।রোববার রাতে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
যে আসনগুলো শূন্য ঘোষণার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে সেগুলো হলো— বগুড়া-৪ ও ৬, ঠাকুরগাঁও-৩, চাঁপাইনাবগঞ্জ-২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও মহিলা আসন-৫০।
১০ ডিসেম্বর গোলপবাগ মাঠে আয়োজিত সমাবেশ থেকে বিএনপির সাত এমপি পদত্যাগপত্র ই-মেইল যোগে স্পিকারের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়।
তারা হলেন— আমিনুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), হারুনর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), জাহিদুর রহমান (ঠাকুরগাঁও-৩), মোশাররফ হোসেন (বগুড়া-৪), জি এম সিরাজ (বগুড়া-৭), আব্দুস সাত্তার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২) ও রুমিন ফারহানা (সংরক্ষিত নারী আসন)।
রোববার দুপুরে শূন্য ঘোষিত ছয় আসনের মধ্যে পাঁচটির সংসদ সদস্যরা সশরীরে স্পিকারের কাছে তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে একজন ই-মেইলে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন বিধায় তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ হয়নি।
তবে আবেদন যথাযথ না হওয়ায় মো. হারুন অর রশিদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়নি। শনিবার ঘোষণার পর রোববার বিএনপির সংসদ সদস্যেরা স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে পদত্যাগপত্র দেন।
পরে স্পিকার সাংবাদিকদের বলেন, পদত্যাগপত্র সশরীরে এসে জমা দিতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যে পাঁচজন পদত্যাগপত্র নিয়ে এসেছেন তাদের আসন শূন্য হয়ে গেছে।
বাকি দুটি আবেদনের সই যাচাই করা হবে এবং তারাই পদত্যাগপত্র পাটিয়েছেন কি না, সংসদ সচিবালয় তা খোঁজ নেবে। তবে হারুনুর রশীদ পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন ই–মেইলে, তার সই স্ক্যান করে বসানো হয়েছে। এটা গ্রহণ করা হবে না, তাকে আবার পদত্যাগপত্র দিতে হবে।
নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর জানিয়েছেন, সংসদ সচিবালয় আসন শূন্য ঘোষণার গেজেট প্রকাশ করলে আমরা নির্বাচনে ব্যবস্থা নেব। এক্ষেত্রে দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যেই নির্বাচন হবে।
এ সংসদের মেয়াদ এক বছরের বেশি সময় বাকি আছে।
মাহফুজা ১১-১২



