বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বাড়ছে নদ-নদীর পানি। এতে সীমান্তবর্তী জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাটের নিম্নাঞ্চলের কিছু জমি ও রাস্তাঘাট প্লাবিত হয়েছে।
সিলেটে বৃষ্টি ও ঢলের প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে নদ-নদীগুলোর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ি সুরমা নদী সিলেট ও কানাইঘাটে, কুশিয়ারা নদী আমলসিদে এবং সারি নদী সারিঘাটে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রধান দুই নদী- সুরমা ও কুশিয়ারা এখন বিপজ্জনক অবস্থানে (ডেঞ্জার জোন) রয়েছে। এসব নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে আগামী ১৮ মে পর্যন্ত সিলেটে কম বেশি বৃষ্টি হবে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক মজিবর রহমান জানিয়েছেন, নিম্নাঞ্চল প্লবিত ৫টি উপজেলার পানিবন্দি মানুষের জন্য ৭৯ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।সিলেট সদর, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কানাইঘাট উপজেলায় এসব চাল বিতরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
এদিকে, টানা ভারি বৃষ্টিপাত পানি বৃদ্ধি পেয়েছে হাওরের জেলা সুনামগঞ্জে। সপ্তাহ সময় ধরে বৃষ্টিপাত হওয়া ও পাহাড়ি ঢলে জেলার সুরমা ও যাদুকাটা নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে।
হাওরাঞ্চলে আগাম বর্ষা হওয়ার পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ি আগামী ৪৮ ঘন্টা দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চল আসাম, মেঘালায় প্রাদেশীয় অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে সিলে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। তবে পচনি বৃদ্ধিতে হাওরে আগাম বর্ষা দেখা দিলেও ঢলের পানিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তেমন হবে না বলে জানিয়েছেন প্রশাসন।
অন্যান্য সময়ের চেয়ে হাওরাঞ্চলে আগাম বর্ষা আসা এটিকে মাছ উৎপাদনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দেখছেন হাওর বিশ্লেষকরা।এদিকে টানা বৃষ্টিপাতে রোদের দেখা না পাওয়ায় মারাইকৃত ধান নিয়ে বিপাকে রয়েছেন নন হাওর এলাকার কৃষকরা।
বৃষ্টিপাত ও হাওর পরিস্থিতি জানাতে সুনামগঞ্জ থেকে যুক্ত হচ্ছেন


