১৬ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
৮ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

    সর্বশেষ খবর

    দুদকের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আদালতে হাজিরা দিলেন

    দুদকের করা ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। সোমবার  ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আছাদুজ্জামানের আদালতেহাজিরা দেন তারা ।

    এদিন মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। বিচারক আগামী ১৫ মার্চ অভিযোগপত্র গ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন। তাদের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    গেল বছরের ২৭ ডিসেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক নুরুল হুদা আদালতে মির্জা আব্বাস ও তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় দুজনেই জামিনে আছেন।

    চার্জশিটে বলা হয়, মিসেস আফরোজা আব্বাসের নামে ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৮ টাকার সম্পদ প্রকৃতপক্ষে তার স্বামী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের সহায়তায় ও মাধ্যমে অবৈধ উৎসের আয় থেকে অর্জিত। মির্জা আব্বাস সংসদ সদস্য, মেয়র ও মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে আসামিরা (স্বামী-স্ত্রী) ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন অবৈধ উপায়ে ১৬ আগস্ট ২০০৭ পর্যন্ত আফরোজা আব্বাসের নামে সর্বমোট ২০ কোটি ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৮ টাকার সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপন করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের মঞ্জুরি আদেশ মোতাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এর অভিযোগপত্র নম্বর ৬৬ অনুযায়ী আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

    মির্জা আব্বাস ১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ছিলেন। তিনি সংসদ সদস্য, মেয়র ও মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট পর্যন্ত আফরোজা আব্বাসের নামে ওই টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

    দুদক আফরোজা আব্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ী এমএনএইচ বুলুর কাছ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ ও বাবা-মা এবং বোনের কাছ থেকে ১ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দান হিসেবে নিয়েছেন। তবে ওই টাকাসহ মোট সম্পদের হিসাবের স্বপক্ষে কোনো রেকর্ড দেখাতে পারেননি।

    দুদকের তদন্তে অবৈধ ওই সম্পদ হস্তান্তর, রূপান্তর ও অবস্থান গোপনকরণে কৌশল অবলম্বন করার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আফরোজা আব্বাস ও তার স্বামী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় এবং সেই সঙ্গে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৮; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯ ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

    ২০১৯ সালের ৭ জুলাই শাহজাহানপুর থানায় দুদকের সাবেক সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২০ কোটি ৭৬ লাখ ৯২ হাজার টাকার সম্পদ অভিযোগ আনা হয়।

    মাহফুজা ১৬-১

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

    Latest Posts

    spot_imgspot_img

    আলোচিত খবর