১৬ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
৮ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

    সর্বশেষ খবর

    শীত জেঁকে বসেছে গোটা ভারতে; দিল্লিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    শীত   জেঁকে বসেছে গোটা ভারতে। দিল্লিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কয়েক দিন ধরে কুয়াশার কবলে রাজধানী দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও রাজস্থানসহ বিভিন্ন রাজ্য।

    আবহাওয়া অফিসের বরাতে আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে। এছাড়া কাশ্মীরে তুষারপাত চলছে। উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে বাতাসের পরিমাণ বাড়ছে। আর সে কারণেই কমছে তাপমাত্রা।

    ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) জানায়, রোববার দিল্লিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে এবং উত্তর ভারতের কিছু অংশে শৈত্যপ্রবাহ বইছে।

    আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, দিল্লির আয়া নগরেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ,লোধি রোডে ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি এবং পালামে ৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

    অপরদিকে লাদাখে এবং লেহরের পরিস্থিতি ভয়াবহ। বছরের শুরুতেই লাদাখের তাপমাত্রা পৌঁছেছিল হিমাঙ্কের ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে। লাদাখে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৮-১০ ডিগ্রি নিচে ঘোরাফেরা করছে।

    মাদ্রাসে তাপমাত্রা পৌঁছেছে হিমাঙ্কের ২০ ডিগ্রি নীচে। কার্গিলে হিমাঙ্কের ১৭ ডিগ্রি নিচে এবং লেহতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছেছে হিমাঙ্কের ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে।

    জম্মুতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কাটরায় ৫ ডিগ্রি। তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে নেমে যাওয়ায় শ্রীনগরে ডাল হ্রদের একাংশ জমে গিয়েছে।

    এদিকে রোববারও কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের চেয়ে যা ২ ডিগ্রি কম। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের ৫ জেলায় শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    দিল্লির আবহাওয়া দফতর জানায়, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রা কমেছে। বৃহস্পতিবার  পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরাখন্ড, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও নিচে।

    গত বছরের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশে শৈত্যপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। নতুন বছর পড়তেই সেই পরিস্থিতি বদলে যায়। তাপমাত্রার পারদ নামতে শুরু করে  এবং শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়।

    দিল্লি এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, অন্তত ২০টি ফ্লাইটের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে ঘনকুয়াশার কারণে। এদিকে, উত্তরাঞ্চল রেলওয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ৪২টি ট্রেন অন্তত এক থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত দেরিতে পৌঁছেছে গন্তব্যে ঘনকুয়াশার কারণে।

    আইএমডি সোমবার পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম ভারতে শৈত্যপ্রবাহ ও ঠান্ডা আবহাওয়া পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে।

    মাহফুজা ৮-১

     

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

    Latest Posts

    spot_imgspot_img

    আলোচিত খবর