১৬ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
৮ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

    সর্বশেষ খবর

    জানুয়ারি মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত ; তিনটি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা

    ডিসেম্বরের মতো জানুয়ারি  মাসেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ মাসে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। তবে এ মাসে শৈত্যপ্রবাহ তীব্র্র আকার ধারণ বা তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামার আশঙ্কা নেই বলেও জানায়  সংস্থাটি।

    দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এই পূর্বাভাস দেয়।

    রোববার আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঢাকার ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কমিটির নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান. আজিজুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।

    আজিজুর রহমান বলেন, জানুয়ারি মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে দেশে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে একটি মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

    জানুয়ারি মাসে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদী অববাহিকায় মাঝারি বা ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা বা মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশা পরিস্থিতি কখনো কখনো দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান আজিজুর রহমান।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর ডিসেম্বর মাসের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে সার্বিকভাবে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে।

    গেল মাসে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল। এর একটি ঘূর্ণিঝড় ‘ম্যানদৌস’-এ পরিণত হয়। ২৭ ডিসেম্বরে সীতাকুন্ড সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ৫০ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় বলে পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

    দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ডিসেম্বরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি এবং সারাদেশে গড় তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল।

    কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল হাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে উত্তরের জেলার মানুষ। গত কয়েকদিন ধরেই ঘনকুয়াশা আর তীব্র শীতে অনেকটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঠান্ডায় কাজে যেতে পারছেন না শ্রমজীবিরা। বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ছিন্নমুল ও হতদরিদ্র মানুষজন। ব্যাহত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা নেই, কুয়াশায় ঢাকা পড়ে আছে প্রকৃতি। ঘন-কুয়াশায় হেডলাইট জ্বালিয়ে চালাতে হচ্ছে যানবাহন।

    গরম কাপড়ের অভাবে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন অনেকেই। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালসহ জেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে বেড়েছে রোগীর সংখ্যা

    মাহফুজা ১-১-২০২৩

     

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

    Latest Posts

    spot_imgspot_img

    আলোচিত খবর