১৬ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
৮ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

    সর্বশেষ খবর

    র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট পজিটিভ সন্দেহে ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালের আইসোলেশনে ৪ চীনা নাগরিক

    চীন থেকে আসা একটি ফ্লাইটের  ৪ জন যাত্রীকে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে। সোমবার বিকাল ৩টার দিকে চীন থেকে একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন তারা। বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য স্ক্রিনিংয়ের সময় ৪ যাত্রীকে করোনা লক্ষণযুক্ত মনে হওয়ায় অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়। সেখানে তাদের পজিটিভ রিপোর্ট এলে মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালে আইসোলেশনে পাঠায় বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য বিভাগ। তাদের নমুনা রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়।

    সোমবার সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    শাহরিয়ার সাজ্জাদ বলেন, বিকেলে তারা চায়না ইস্টার্ন এয়ার লাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন। ওই ফ্লাইটে আসা ২০ জন চীনা নাগরিকের মধ্যে প্রথমে কয়েকজনের কান অতিরিক্ত লালচে দেখে সন্দেহ হয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের। পরে র্যাপিড অ্যান্টিজেন কিটে তাদের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৪ জনের টেস্ট পজিটিভ আসে।

    তিনি বলেন, ‘তারা চীন থেকে আরটিপিসিআর টেস্ট করে নেগেটিভ রিপোর্ট নিয়েই এসেছিলেন। তারপরও তাদের লক্ষণ দেখে সন্দেহ হওয়ায় অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়। আইডিসিআরকে তাদের তথ্য জানানো হয়েছে। পুনরায় তাদের আরটিপিসিআর টেস্ট করানো হলে প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে।’ সেজন্য তাদের রাজধানীর ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বলা যাবে তাদের করোনা হয়েছে কি না বা কোন ধরন শনাক্ত।

    নতুন করে বেশ কয়েকটি দেশে কোভিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের সব বিমান, স্থল ও সমুদ্রবন্দরে স্ক্রিনিং বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয় গত ২৫ ডিসেম্বর। সব বন্দরে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষা করে আক্রান্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে নেওয়ার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। করোনার নতুন যে ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে বিএফ৭, সেটি বিএ৫-এর একটি সাব-ভ্যারিয়েন্ট। অন্য ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে এটার সংক্রমণ ক্ষমতা চারগুণ বেশি। এটির আরেকটি ভয়ানক দিক হচ্ছে খুব কম সময়ের মধ্যে অনেক বেশি সংখ্যক মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।

    বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্তের জন্য ২০২০ সাল থেকে আরটিপিসিআর টেস্টের পাশাপাশি অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। খুব তাড়াতাড়ি নমুনা সংগ্রহ করে রেজাল্ট পাওয়া যায় অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে। এছাড়া এই পদ্ধতিতে বড় ধরনের প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতি দরকার হয় না। তবে অ্যান্টিজেন পদ্ধতি শতভাগ নির্ভরযোগ্য নয়। নানা কারণে অ্যান্টিজেন টেস্টের ফলাফল ‘ফলস নেগেটিভ’ কিংবা ‘ফলস পজেটিভ’ হতে পার। নিয়ম অনুযায়ী, যেসব রোগীর মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ দেখা যাবে, তাদের অ্যান্টিজেন টেস্ট করানো হবে। এতে যারা পজিটিভ হিসেবে চিহ্নিত হবেন, তাদের আইসোলেশনে নেওয়া হবে।

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

    Latest Posts

    spot_imgspot_img

    আলোচিত খবর