১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৩রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

    সর্বশেষ খবর

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন চলছে

    শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৩তম সমাবর্তনের মূল অনুষ্ঠান।

     

    শনিবার  দুপুর ১২টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠসহ মোট তিনটি ভেন্যুতে শুরু হয় এই সমাবর্তন। এতে ৩০ হাজার ৩৪৮ জন গ্র্যাজুয়েট এতে অংশ নিচ্ছেন এবং ১৫৩টি স্বর্ণপদক দেয়া হবে। সমাবর্তনে ৯৭ জনকে পিএইচডি, ২ জনকে ডিবিএ এবং ৩৫ জনকে এমফিল ডিগ্রি দেয়া হবে।

    সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সভাপতিত্ব করছেন। এ সমাবর্তনে বক্তব্য দেবেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. জঁ তিরোল। সমাবর্তনে তাঁকে প্রদান করা হবে সম্মানসূচক ডক্টর অব লজ ডিগ্রি।

    শনিবার বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির শোভাযাত্রা হয় এবং দুপুর ১২টায় রাষ্ট্রপতির মঞ্চে আগমন করেন। জাতীয় সংগীতের পর ১২টা ১ মিনিটে চ্যান্সেলর সমাবর্তনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

    রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের নেতৃত্বের প্রতীক, আমাদের পথ প্রদর্শক। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিসংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ভূমিকা রয়েছে ।

    তিনি বলেন, সমাবর্তন যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান। কেননা সমাবর্তনের মধ্যদিয়ে শিক্ষার্থীরা একদিকে যেমন স্বীকৃতি লাভ করে তাদের মেধা ও প্রতিভার, তেমনি সচেতন হয়ে ওঠে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে। তাদের সুনাগরিক হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে এ ধরনের অনুষ্ঠান ও আনুষ্ঠানিকতার যে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তা সর্বজনস্বীকৃত।

    রাষ্ট্রপতি আরো  বলেন, তবে তোমাদের শিক্ষার্জন যেন সমাবর্তন আর সার্টিফিকেটেই সীমাবদ্ধ না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তোমাদের আজকের এই অর্জনের পেছনে বাবা-মা, শিক্ষক এবং রাষ্ট্রের যে অবদান ও ত্যাগ রয়েছে, তা হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। দেশ ও জনগণের কল্যাণে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখতে হবে- এটাই সবার প্রত্যাশা।

    পুরো ক্যাম্পাসে  সমাবর্তন উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিস্থিতি বিরাজ করছে । গাউন পরে, মাথায় হ্যাট লাগিয়ে সমাবর্তনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন গ্র্যাজুয়েটরা। একে অপরের সাথে ছবি তুলছেন, কেউ আবার গাউন পরে কার্জন হল, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের পুকুরপাড়, টিএসসি, রাজু ভাস্কর্য, বটতলা, অপরাজেয় বাংলা, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনের ‘নূর চত্বর’, মধুর ক্যান্টিন, সিনেট ভবন, স্মৃতি চিরন্তন এ  ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

    ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। এর পর ব্রিটিশ আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম নিয়মিত সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯২৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি।

    মাহফুজা ১৯-১১

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

    Latest Posts

    spot_imgspot_img

    আলোচিত খবর