২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৫ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

    সর্বশেষ খবর

    প্রশ্নপত্রে ‘সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক’ প্রশ্ন রাখার ঘটনায় পাঁচ শিক্ষককে দোষী সাব্যস্ত করেছে তদন্ত কমিটি

    যশোর শিক্ষা বোর্ডের গঠিত তদন্ত কমিটি এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ‘সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক’ প্রশ্ন রাখার ঘটনায় জড়িত পাঁচ শিক্ষককে দোষী সাব্যস্ত করেছে । একই সঙ্গে এই শিক্ষকদের অপরাধের ধরণ অনুযায়ী শাস্তির সুপারিশও করা হয়।

    বৃহস্পতিবার তদন্ত কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য জানান।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননিযশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.  আহসান হাবীব । তিনি বলেন, আজ আমাদের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছেএবং  মন্ত্রণালয় পরবর্তী পদক্ষেপ নিবে। এর বেশি কিছু বলা সম্ভব না।

    যশোর বোর্ডের তদন্ত রিপোর্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা দেয়া হয়।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিও বাতিলসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের লঘু ও গুরু যেকোনও শাস্তি হতে পারে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে।

    ৮ নভেম্বর প্রশ্নপত্রে ‘সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক’ প্রশ্ন রাখার ঘটনায় জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।যশোর শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক এ কে এম রব্বানী আহ্বায়ক ছিলেন তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটির । কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বিদ্যালয় পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম ও উপ কলেজ পরিদর্শক মদন মোহন দাশ।

    ৬ নভেম্বর সারাদেশে এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বোর্ডের ‘কাসালাং’ সেটের ১১ নং প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বিষয়টি উঠে আসে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। ৮ নভেম্বর এ ঘটনায় জড়িত থাকায় পাঁচ শিক্ষককে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানায়।

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার জানান ওই প্রশ্নপত্র প্রণয়নে যশোর শিক্ষা বোর্ডের একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা জড়িত ছিলেন।

    বাংলা প্রথম পত্রের বিতর্কিত প্রশ্নটি করেন ঝিনাইদহের মহেশপুরের ডা. সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার পাল। আর প্রশ্নপত্রটি পরিশোধনের (মডারেশন) দায়িত্বে ছিলেন নড়াইলের সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তাজউদ্দীন , সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক  শফিকুর রহমান, মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল কুমার ঘোষ ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা আদর্শ কলেজের সহকারী অধ্যাপক রেজাউল করিম।

    মাহফুজা ১৭-১১

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

    Latest Posts

    spot_imgspot_img

    আলোচিত খবর