১৯শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৪ঠা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

    সর্বশেষ খবর

    গলাচিপায় হোল্ডিং ট্যাক্স প্লেটের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

    গলাচিপা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা : পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নে চৌকিদারি গৃহ কর বা হোল্ডিং ট্যাক্স এর ডিজিটাল প্লেটের নামে গ্রামের হতদরিদ্র মানুষের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পাঁচ বছর আগে প্রণীত একটি গেজেটের দোহাই দিয়ে এনজিওর মাধ্যমে হোল্ডিং ট্যাক্স ডিজিটাল প্লেটের নামে অর্থ আদায় করছে একটি চক্র। অভিযোগ রয়েছে এই অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছে স্বয়ং ইউনিয়ন পরিষদের কিছু কর্মকর্তা কর্মচারী।

    সরেজমিনে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের গ্রামে গিয়ে জানা গেছে, গ্রামীণ হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী গৃহকর সম্পর্কে সচেতনও নয়। ফলে তাদের মনে ভয় ভীতির সৃষ্টি করে একধরনের চাপে ফেলে গৃহ করের নামে বছরের পর বছর ধরে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছে চক্রটি। বলা হচ্ছে, গৃহ কর না দিলে ভবিষ্যতে সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হবে । এরই মধ্যে গত কয়েকদিন ধরেই গলাচিপা সদর ইউনিয়নে ডিজিটাল হোল্ডিং নম্বরের প্লেট নিয়ে ব্যাপক প্রতারণা, অনিয়ম ও দুর্নীতি করার বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসীর মনে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    মুরাদনগর গ্রামের জাকির হাওলাদার জানান, নির্বাচনের পরে চেয়ারম্যান পরিবর্তন হলে একটি অসাধু চক্র ইউনিয়ন পরিষদের কথা বলে হোল্ডিং ডাটাবেজ সংগ্রহ করার কাজ করে। এভাবে পাঁচ বছর পরপর হোল্ডিং নাম্বার পরিবর্তন হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনও দেখা যায় জাতীয় পরিচয় পত্রে একটি হোল্ডিং নাম্বার দেওয়া আছে আর নতুন করে আর একটি নম্বার প্লেট ঘরে বসিয়ে দেয়া হয়েছে। এভাবে একটি পরিবারে একাধিক হোল্ডিং নাম্বার তৈরি হচ্ছে। শুধু তাই নয় হোল্ডিং নাম্বার প্লেট ও পাশ বই এর নামে করে সাধারণ জনগণের নিকট হতে ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকার সাধারন মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অর্থ আদায়কারী প্রত্যাশা (এনজিও) এর দায়িত্বে থাকা মোসাদ্দেক জানান, অর্থ আদায় করে টাকা ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেওয়া হয়েছে।

    অভিযোগের ব্যাপারে গলাচিপা সদর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন টুটু জানান, এনজিওর নামে বাহির থেকে আসা লোকেরাই এসব করছে।

    এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিষ কুমার বলেন, অনলাইনে যে টাকা নির্ধারন করা আছে তার চেয়ে বেশি নেয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখবো তবে কেউ যদি অনিয়মের সাথে যুক্ত থাকে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে হবে।

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

    Latest Posts

    spot_imgspot_img

    আলোচিত খবর