২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

    সর্বশেষ খবর

    প্রধানমন্ত্রী আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় হস্তান্তর করবেন ২৬ হাজার ২২৯টি ঘর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় হস্তান্তর করবেন ২৬ হাজার ২২৯টি ঘর। এ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ভূমিসহ ঘর দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী এসব ঘর হস্তান্তর করবেন।

    গণভবন থেকে দেশের চারটি উপজেলার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী ।আওতাভুক্ত প্রকল্প গুলো হলো– লক্ষ্মীপুরের রামগতির চরকলাকোপা আশ্রয়ণ প্রকল্প, বাগেরহাটের রামপালের গৌরম্ভা আশ্রয়ণ প্রকল্প, ময়মনসিংহের নান্দাইলের চর ভেলামারী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পঞ্চগড় সদরের মাহানপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং মাগুরার মহম্মদপুর এর জঙ্গালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প।

    সরকারপ্রধান আজ ৫২টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করবেন। এরমধ্যে সব আয়োজন শেষ করছে উপজলা প্রশাসন।

    সরকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৬৩ হাজার ৯৯৯টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৩০টি ঘর দিয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮০০ ঘর দেওয়ার কাজ করছে। এরইমধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি দেওয়া হয়েছে। ২৬ হাজার ২২৯টি দেবে ২১ জুলাই। পাশাপাশি ৮ হাজার ৬৬৭টি নির্মাণাধীন।

    সরকার ‘আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প’র মাধ্যমে সারাদেশে ভূমিহীন গৃহহীনদের পুনর্বাসন করছে । প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা- ‘বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’। এরইমধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ৫ লাখ ৯ হাজার ৩৭০ পরিবারকে ভূমি ও সেমিপাকা ঘর করে দেয়া হয়েছে।
    এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্বাহী সেলের মাধ্যমে ৭ হাজার ৮০৯টি পরিবার, ভূমি মন্ত্রণালয় ৭২ হাজার ৪৫২টি পরিবার, ৪ হাজার ২৩৭টি পরিবার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশের গৃহায়ন তহবিল থেকে ৮৮ হাজার ৭৮৬টি পরিবার এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২৮ হাজার ৬০৯টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এভাবে পুনর্বাসন করা হয় সারাদেশে মোট ৭ লাখ ১১ হাজার ৬৩ পরিবারকে ।

    পঞ্চগড় ও মাগুরা জেলার সব উপজেলাসহ দেশের ৫২টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    উপজেলাগুলো হলো- ঢাকার নবাবগঞ্জ, মাদারীপুরের মাদারীপুর সদর, শরীয়তপুরের ডামুড্যা, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, টাঙ্গাইলের গোপালপুর, মানিকগঞ্জের ঘিওর, সাটুরিয়া, রাজবাড়ীর কালুখালী, ফরিদপুরের নগরকান্দা, নেত্রকোনার মদন, ময়মনসিংহের ভালুকা, নান্দাইল, ফুলপুর, ফুলবাড়িয়া, জামালপুরে বকশীগঞ্জ, চট্টগ্রামের পটিয়া, কর্ণফুলী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, লক্ষ্মীপুরের রায়পুর, রামগঞ্জ, ফেনীর ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী, পরশুরাম, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, পঞ্চগড়ের আটোয়ারী, পঞ্চগড় সদর, দেবীগঞ্জ, তেঁতুলিয়া, বোদা।

    এছাড়া দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী, নীলফামারীর ডিমলা, নওগাঁর রাণীনগর, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি, রাজশাহীর মোহনপুর, চারঘাট, বাঘা, বগুড়ার নন্দীগ্রাম, দুপচাঁচিয়া নাটোরের বাগাতিপাড়া, পাবনার ঈশ্বরদী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু, সাতক্ষীরার তালা, মাগুরার মাগুরা সদর, শ্রীপুর, মোহম্মদপুর, শালিখা, ঝালকাঠির কাঠালিয়া, পটুয়াখালীর দশমিনা।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি লক্ষ্মীপুরের রামগতির চর পোড়াগাছা ইউনিয়নে নদীভাঙণে ক্ষতিগস্ত ২১০টি পরিবারকে পুনর্বাসন করেন। সে লক্ষ্যে প্রতিটি পরিবারকে ২ দশমিক ৫ একর করে ভূমি দিয়ে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম সর্বপ্রথম শুরু করেন। এ ইউনিয়নে কলাকোপা আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৫ দশমিক ১৫ একর অবৈধ দখল উদ্ধারকৃত জমিতে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত জেলে, ভিক্ষুক, বিধবা ও অসহায় ১ হাজার ৪২৫ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে।
    মাহফুজা ২১ -৭

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

    Latest Posts

    spot_imgspot_img

    আলোচিত খবর