১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
২৭শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
২৬শে শাওয়াল, ১৪৪৩ হিজরি

    সর্বশেষ খবর

    কামিন্সের বিস্ফোরক ইনিংসে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স উড়ে গেলো

    বুধবার রাতে  মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ১৬২ রানের টার্গেট ছুড়ে দেয় । এই রান তাড়া করতে নেমে ১৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০১ রান তুলে ফেলে কেকেআর। ৪ রান করে আন্দ্রে রাসেল ফিরে গেলে  মাঠে নামেন প্যাট কামিন্স।

    মাঠে নেমেই তিনি এমন রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন যা ধারনায় বাহিরে ছিলো । ওই ওভারের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বলে দুই রান নেওয়ার পর তিনি মারতে শুরু করলেন। পঞ্চম বলে ফাইন লেগ দিয়ে ছক্কা। ষষ্ঠ বলে পয়েন্ট ও শর্ট থার্ডম্যানের গ্যাপ গলিয়ে চার মারেন। তাতে ৩ বলেই তার রান হয়ে যায় ১১।

    পরের ওভারে জাসপ্রিত বুমরাহর চতুর্থ বলে ডিপ মিডউইকেট দিয়ে ছক্কা মারেন। পঞ্চম বলে শর্ট থার্ড ম্যান দিয়ে চার মারেন। ১৫ ওভার শেষে ৮ বলে তার রান হয় ২২, আর কলকাতার ৫ উইকেটে ১২৭।

    জেতার জন্য শেষ ৫ ওভারে অর্থাৎ ৩০ বলে কলকাতার প্রয়োজন ছিল ৩৫ রান। কিন্তু কে জানতো প্যাট কামিন্স সেটা ১৬তম ওভারেই নিয়ে নিবেন!

    ওভারটি করতে আসেন দানিয়েল স্যামস। তার প্রথম বলটি লং অন দিয়ে ছক্কা হাঁকান। দ্বিতীয় বলে লং অন ও ডিপ মিডউইকেট দিয়ে চার মারেন। তৃতীয় বলে ডিপ মিডউইকেট দিয়ে ছক্কা মারেন। চতুর্থ বলে ফাইন লেগ দিয়ে ছয় মারেন। পঞ্চম বলটি লং অফ দিয়ে মারতে গিয়ে সূর্যকুমার যাদবের হাতে ধরা পড়েন।

    কিন্তু আম্পায়ার ‘নো বল’ কল করেন। কামিন্স দুইবার প্রান্ত বদল করে স্ট্রাইকে আসেন। পঞ্চম বলে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে চার মেরে ১৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। যা আইপিএলের ইতিহাসে যৌথ দ্রুততম ফিফটি। তার আগে ২০১৮ সালে লোকেশ রাহুল ১৪ বলে ফিফটি করেছিলেন দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের বিপক্ষে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে।

    স্যামসের করা ষষ্ঠ বলটিকে বোলারের মাথার উপর দিয়ে উড়িয়ে বাউন্ডারির বাইরে ফেলেন কামিন্স। তাতে ২৪ বল হাতে রেখেই জিতে যায় কেকেআর। কামিন্স ১৫ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন। তার সঙ্গে ৪১ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন শ্রেয়াস আয়ার।

    কামিন্সের তোপের মুখে পড়ে স্যামস ৩ ওভারে ৫০ রান দিয়ে আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম ব্যয়বহুল বোলার হয়ে যান। তার এক ওভারেই কামিন্স তোলেন ৩৫ রান! যা আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যয়বহুল ওভার।

    অবশ্য এর আগে কামিন্সও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ব্যাটসম্যানদের হাতে মার খান। তিনি ৪ ওভার বল করে দেন ৪৯ রান। নেন ২টি উইকেট। এরপর ব্যাট হাতে নেমে ১৫ বলে ৫৬ রান তুলে সেটার শোধ তোলেন। হয়ে যান ম্যাচসেরা।

    মুম্বাইর ইনিংসে সূর্যকুমার ৫২, তিলক ভার্মা অপরাজিত ৩৮, দেওয়াল্ড ব্রেভিস ২৯ ও কিরেন পোলার্ড অপরাজিত ২২ রান করেন।

    এই জয়ে ৪ ম্যাচ খেলে ৩টিতে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান নিয়েছে কলকাতা। অন্যদিকে ৩ ম্যাচের তিনটিতেই হেরে তলানির দিকে রয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন

    Latest Posts

    spot_imgspot_img

    আলোচিত খবর