Lead News

যে ভাবে পুরো লঞ্চে আগুন ছড়ালো

কেবিন বয় ইয়াসিন বলেন, ‘লঞ্চের নিচতলার পেছনে ইঞ্জিন রুমের পাশেই ক্যানটিন। সেখানে বিকট শব্দে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ইঞ্জিনরুমে। সেখানে ১৩ ব্যারেল ডিজেল রাখা ছিল। ডিজেল আগুন আরও বাড়িয়ে দেয়।’ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ইঞ্জিনরুমের পাশের ক্যানটিনের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে পুরো লঞ্চে আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছেন কেবিন বয় ইয়াসিন।তিনি নিউজবাংলাকে পুরো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন।

ইয়াসিন বলেন, ‘লঞ্চের নিচতলার পেছনে ইঞ্জিনরুমের পাশেই ক্যানটিন। সেখানে বিকট শব্দে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ইঞ্জিনরুমে। সেখানে ১৩ ব্যারেল ডিজেল রাখা ছিল। ডিজেল আগুন আরও বাড়িয়ে দেয়।

ইঞ্জিনরুমের পর আগুন চলে যায় ডেকের দিকে। ডেকের জানালার পর্দা থেকে দোতলায়। সেখানে প্রথমে পারটেক্স বোর্ডের সিলিংয়ে আগুন লাগে। দোতলায় একটা চায়ের দোকান ছিল। ওই চায়ের দোকানের সিলিন্ডারও বিস্ফোরিত হয়ে আগুন আরও বড় হয়ে যায়। এরপর আগুন যায় তিন তলায়।’

লঞ্চের কেবিন বয় জানান, আগুন লাগার পর ডেকের যাত্রীরা নেভানোর চেষ্টা করেন। অনেকে ছাদে চলে যান। কেউ কেউ নদীতে লাফ দেন।

ঝালকাঠির পোনাবালীয়া ইউনিয়নের দেউরী এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামের লঞ্চে আগুন লাগে।বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক কামাল হোসেন ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে জানান, এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মইনুল হক জানান, ৭০ জনের বেশি দগ্ধ যাত্রীকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বরিশাল মেডিক্যালের সি‌নিয়র স্টাফ নার্স মিজানুর রহমান জানান, শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত দগ্ধ আট শিশুসহ ৬৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে প্রাথ‌মিক চি‌কিৎসা নি‌য়ে এসে‌ছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button