নভেম্বর ২২, ২০১৯ ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ ||৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ||২৩শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

এমপি লিটন বাবা-মায়ের কবরের পাশে চির নিদ্রায় শায়িত

সংসদ সদস্য মো. মনজুরুল ইসলাম লিটনকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামে সোমবার বিকেলে বাবা-মায়ের কবরের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে চির নিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে।
এর আগে বিকেলে ৪টা ৮মিনিটে লিটনের নিজ বাড়ির উঠানে তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন মাস্টারপাড়া-মোল্লাপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. জালাম উদ্দিন।
জানাজায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাড. ফজলে রাব্বী মিয়া, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম মোজাম্মেল হক, ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন প্রমুখ।

এর আগে জেলা ও সাত উপজেলার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ কফিনে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

এদিকে, লিটন হত্যার ঘটনায় তিন দিনের শোক ঘোষণা করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার সুন্দরগঞ্জে বঙ্গবন্ধু চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।
এর আগে রোববার দুপুরে রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল মাঠে এমপি লিটনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তার মরদেহ হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেয়া হয়।
এমপি লিটনের দ্বিতীয় জানাজা সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সারোয়ার হোসেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী লিটনের মরদেহে শ্রদ্ধা জানান। এসময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ. স .ম, ফিরোজসহ হুইপবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অসংখ্য গুণগ্রাহী জানাজায় শরীক হন।

উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ (মাস্টারপাড়া) গ্রামে এমপি লিটনকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। পরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

About